শেষরাতের দিকে ছাদ থেকে নেমে ঢুলু ঢুলু চোখে রুমে ঢুকল মাহতিম। বিছানায় তাকিয়েই চোখ কপালে তুলল। দেখল নাক অবধি ঘোমটা টেনে নববধুরূপে জান্নাত এখনো বসে আছে। জান্নাত বিছানা থেকে নেমেই
রাত তখন ১২ টা — মাতোলি পতিতালয়ের সামনে দিয়ে হেটে যাচ্ছে তোহা ! হঠাৎ পিছন থেকে চলন্ত বাইক থামলো তোহার গা ঘেষে । ভারি কন্ঠে অচেনা লোকটি বলে উঠলো —
কবি –জাহাঙ্গীর আলম সুলতান এর কবিতা // দুখু মিয়া একটি ছেলের গল্প আমি বলবো তোমাদের। সেই ছেলেটি সবার প্রিয় কবি আমাদের। ভাল্লাগেনা বাধা ধরা নিয়ম পাঠশালার। স্কুল পালানো ছেলে ছিল
সন্ধ্যা হয়ে গেল, গর্ভবতী স্ত্রী এখনো বাড়ির বাহিরে। ব্যপারটা স্বাভাবিকভাবে নিতে পারলো না শান্ত। অনেক কষ্টের পর শান্ত বাবা ডাক শুনতে যাচ্ছে, এই অবস্থা নীলির কোন ভুল তার বাবা হওয়ার
হঠাৎ!”প্রথম আলো” পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় নিচের একটা সংবাদে,চোখ আটকে গেলো আমার।সংবাদটা দেখে অঝোরে ঘাম ঝরতে লাগলো শরীর বেয়ে। সংবাদ নয় বলতে গেলে বড় সড় এক বিজ্ঞাপনের এড।প্রথম পৃষ্ঠার একদম নিচে
কবি –সৈয়দ ইসমাইল হোসেন জনি এর কবিতা // মনের বেদন বে-ভুলা মন মায়ার বাধন খোঁজে সে ধন লোভের কারণ , মোটেও তার হয়না চেতন বোঝে না আর আত্মার বেদন ।
রেডি থাকিস আইজকা! ভালোমতো সাজবি! নামীদামী অল্প বয়সের পোলা পাবি! পোলা ডারে কিন্তু একদম খুশি কইরা দিবি! কচিকচি মাইয়াগো দেহাইলাম অথচো ওগুলোরে থুইয়া পোলাডা তোরে না দেইক্কা কিল্লাই রাজি হইলো!
কবি –দেলোয়ার হোসেন বাবন এর কবিতা // অকালে আকাল গেলো বছর কেমন করে বসন্ত সেজেছিলো কিছুই বলতে পারবোনা বসন্তের যৌবনপোড়া ধূসর হরিতা পত্রগুলি কিভাবে ঝরেছিলো তাও বলতে পারবোনা। বৈশ্বিক খরতায়
আমার মনে হয় একজন মেয়ে হিসেবে এই গল্পটা পড়া উচিত….।। সকাল সকাল শাশুড়ির রুমে এসে দাঁড়িয়ে আছি। আমার ঠিক দুইপাশে তিনজন জা দাঁড়িয়ে আছেন। বিয়ে হয়ে শ্বশুর বাড়ি আসলাম মাত্র
কবি –মোঃ শহীদুল্লাহ সরকার এর কবিতা // ভূতের গল্প ভাতের থালা হাতে নিয়ে, ডাকছে খোকার মায়, ভাত তরকারি ঠান্ডা হলো, আয়রে খোকা আয়। ঘুমের দেশের নীল পরীরা, ডাকছে তোমায় এসে,