ভোর বিহানে চিড়া কুটার আওয়াজ ছিল, ঘরে ঘরে ঢেঁকি ছিল, ঘাইল চিয়ার প্রচলন ছিল! সপ্তাহের হাটে হামহাম বাজারী শব্দ ছিল, এক ছটাক তেল নুন পিঁয়াজ রসুন হলদি বিক্রি হতো বড়
শুধু একমাত্র দেবর শাকিল মাঝে মাঝে প্রতিবাদ করত। সে বলত- দোষটা কার তাতো জানো না, তবে কেন শুধু শুধু ভাবীর উপর দোষ চাপাচ্ছ? ভাইয়াকে বলো ডাক্তার দেখাতে। বেশি কিছু বলতেও
বিয়ের প্রায় চার বছর পর রত্না মা হতে চলেছে। এই নিয়ে সংসারে খুশির সীমা নাই।রত্নাও মহা খুশি। সবাই খুবই আদর যত্ন করছে।শ্বাশুড়িও ভারি কোন কাজকর্ম করতে দেয় না। ননদরা এটা
শিলা-বৃষ্টি,কখন যে কোথায় আসে-যায়! আগারগাঁও অফিসের পক্ষেও বলা দায়, যদিও তাঁরা নির্ভর করে,বায় কেমন ধায় তবুও দাবদাহ চলছে বেখেয়ালে হায়! মেঘের সাথে গগনবিদারী গর্জন যদি হয় শিলাকে বলেছিলাম, পেওনা একটুও
প্রকৃতি জুড়ে প্রৌঢ়ত্বের ছাপ , মলিন হচ্ছে সবুজ রুগ্ন নদী নিতম্ব নাচিয়ে প্রশ্ন করে— ‘নেই সেই কলরব! তবে কী ফুরিয়ে গেছে সব?’ নির্বাক বাতাস শুধুই বয়ে যায় বোবা চোখে জানায়
মাটির দেহ মাটির সাথে যাবে একদিন মেশে রঙ্গ ঢঙ্গ করি শুধু মাটির পৃথিবীতে এসে হিংসে নিন্দে করে করে কেটে যাচ্ছে দিন শেষ হচ্ছে আয়ু তোমার আসবে মরণ একদিন। রুপ বলো
যে ফুল ফুটে অন্তরে,কল্যাণের তরে; ছুঁড়ে দাও- গন্ধ তার,মানুষের ঘরে। শুকনো পাতা মর্মর, বাজে কহু তানে; ভরে দাও ধরা প্রভু, সু-সাম্যের গানে। রুষিয়া গেলে সে কাল, কলির গুঞ্জরে; যে কাল
তুমি এসে জীবন ময়, অলিখিত দলীলে দস্তখত দিলে, উড়ো খামে মুঠোফোনে বার্তা পাঠালে মনের সাজানো রঙে। কত উপমায় আঁকো ছবি রচো কত রচনা নিরবধি। তুমি এসে জীবন ময়, অভিমানে অনুরাগে
কে ঐ বাংলায় জন্ম নিয়ে বাংলায় বাস করে, বাংলা নববর্ষে বৈশাখ বরণে অপপ্রচার ধরে? বিনয়ের সহিত বলব তারে প্রশ্ন কর নিজেকে, দেশ,ভাষা ও জাতি হয় কিনা ভিন্ন ধর্ম থেকে? আজও
চাই না যুদ্ধ, আর কত প্রাণ, কত সম্পদ বিনষ্ট হবে? জীবনযুদ্ধের মধ্যদিয়ে আবার তা গড়ে তুলতে হবে। আবার মহাকাল বিবর্তনের ভাঙ্গাগড়া ইচ্ছের খেলা, আবার শক্তির লড়াই বড়াই, হামলার পাল্টা হামলা।