কবি মুক্তা পারভীন এর কবিতা – কেউ কি রাখে খোজ সম্পর্ক গুলো নরম সূতো একটু লাগলে টান পরক্ষণেই ছিন্ন ভিন্ন টুকরো খান খান। মিছে মায়ায় ঘর বাঁধিয়া রইলাম পরে ভবে
চির ঋণী যুবক শাহী সবুর আমি সেবার কাজের খোঁজে ঢাকায় এলাম একা , বনানীতে তোমার সাথে হলো আমার দেখা। চলতেছিলে রাস্তা দিয়ে সাথে ছোট বোনটা নিয়ে আমি তখন তোমায় দেখে
কবি রশিদ হারুন এর কবিতা – একজন নারী আমাকে বলেছিলো একজন নারী আকাশী রং এর শাড়ী পড়ে আমাকে বলেছিলো, “সব নারীই আকাশ হতে ভালোবাসে, সব পুরুষ মানুষ কিন্ত্তু ঘুড়ি উড়াতে
কবি রাজনা চৌধুরী এর কবিতা – রক্তস্নাত মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি মুক্তিযুদ্ধ শুনেছি ইতিহাস, মায়ের মুখে শুনেছি আর আঁতকে উটেছি বহুবার। গল্পের ছলে বহুবার মাকে বলতে শুনেছি পাক বাহিনী, কিভাবে মা বোনদের
কবি জেসমিন ইসলাম এর কবিতা – কাঁটা ভরা প্রহর কারো বাগান জুড়ে ফোটে রঙিন শত শত ফুল কেউ অকালে যাচ্ছে ঝরে!কূল নাহি খুঁজে পায় কারো চোখে দুঃখের বৃষ্টি ! কারো
কবি মুক্তা পারভীন এর কবিতা – রব সুখে দুখে দূরে থেকেও ছিলে তুমি খুবই কাছাকাছি কাছে এসেই গেলে দূরে কি নিয়ে বাঁচি? দিবা রাতি মনে ছিল ভাবনা তোমার কোথায় আছো,
এবিএম সোহেল রশিদ ডিসেম্বর আমাকে শোনাও দেশজুড়ে চলছে ঐক্যবদ্ধ শ্লোগান গাইছে সবাই গনতন্ত্র মুক্তির গান। ডিসেম্বর আমাকে শোনাও দ্বিধাদ্বন্দ্ব সব মরীচিকা, হয়েছে তার অবসান প্রেরণায় একাত্তর-বায়ান্ন এখনো অম্লান। ডিসেম্বর আমাকে
অনামিকা নৌকাহীন বিপ্রতীপ ছিলে তুমি, তাই নোনা সমুদ্র ভেঙেছে চোখের জলে, ভেঙে গেছে বারবার মাস্তুল সেতারের সূক্ষ্ম তার ছিন্ন করেছে আঙুল, প্রতিবার লাগে কেনো দাঁড়িপাল্লা, ভালোবাসা মাপতে আলতো ছোঁয়ায়! এখন
আবীর অরণ্য অপ্রাসঙ্গিগ ভাবে অলৌকিক প্রজাপতি এক একটি ডানা সবুজ, অপরটি গাঢ় নীল; উড়ে যাচ্ছে অনেক দূরে অজানার পথে কি জেন হঠাৎ মনে পড়ে গেল। কেন মনে পড়ে? কেন সন্ধ্যা
মোঃ ইলিয়াছ আহমেদ দেখো, একদিন তোমার শহরে প্রচন্ড ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোন হবে। তছনছ হয়ে যাবে বিদ্যুতের খুঁটি, বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে তোমার শহরের প্রতিটি বিদ্যুৎ সংযোগ। পুরো শহরটি অন্ধকারে ঢেকে যাবে,