এক পায়েতে পায়েল তোমার দু’পায়েতে নুপুর, নুপুর বাজে তালে তালে সকাল সন্ধ্যা দুপুর। যত্ন করে শখের জিনিস চঞ্চলতায় ছুটো, নরম পায়ে সুন্দর পাদু সবার নজর লুটো। আলতা মাখা পায়ে তোমার
জ্ঞানের অসীম পরিসীমা শিখতে চায় না কেউ, শিখতে বললেই সবই পারি ঘন কথার ঢেউ। যারা ভাবে মহাজ্ঞানী মূর্খ হয়ে বেশ, শস্য দানা ক্ষুদ্র জ্ঞানের শেখার নেইকো শেষ! জার্রা পরিমাণের জানা
বার্তা অন্তে জিবরাঈলের- রাসূল বলেন তবে এখনো বেলাল করেনি বিবাহ- সুন্নত বাদ রবে ? হয়না যে তাহা বেলাল আমার বড্ড আপন কাছে যাওতো বিয়ের কনেরে খুঁজতে বলবে সবারে পাছে ।
ঘুমচোখে চেয়ে দেখা অচেনা জংশন ষড়ঋতুর ভূগোল ছেড়ে অনন্ত মহাজীবন। চলন্ত সিঁড়ির প্যাডেল সচল অনিঃশেষ অনির্বচনীয় সুন্দর প্রেম নির্মাতা অনিমেষ। রাজহাঁসের ডানায় ক্রমাগত সাঁতারকাটা মহাব্যস্ততায় অযুত হাজার মৃত আত্মা। জলজ
আমি কোনো জ্ঞানী গুণীর কাতারেই স্থান পাই না, কিন্তু তাঁদের সান্নিধ্য লাভের নেইকো কোনো মানা। জ্ঞানী আর গুণীর সমাজে তাই মোর এতো আনাগোনা। মন্দ বলুক লোকে কভু আমি রাগ হই
আল্লাহর দরবারে বিনিয়োগ করো তোমার চোখের পানি, জীবনে দেখবে না অভাব, পাবে তুমি উত্তম স্বভাব। দিবেন তিনি অনেক খানি, যা কখনো নিজের চোখে দেখনি। উত্তম রিজিক আর সম্মান তিনিইতো করেন
রংতুলির আঁচড়ে পাশাপাশি অনেক রংয়ের মিলন হলো- প্রথমে সাদা তারপর সোনালী, সবুজ, লালনীল আরও কত- রং জীবনটা এমনই সময়ের কালক্রমে নদীর জলের মতো- ঢেউয়ে পর ঢেউয়ে মিশে অনেক রং খেলা
শুনেন শুনেন দেশবাসী শুনেন দিয়া মন আজব এক ছাগলের কথা করিব বর্ণনঃ বলি ভাইরে ভাই— ও বলি ভাইরে ভাই, বলে যাই আজব এক কাহিনী, ছাগলেরও তেলেসমাতি আগে শুনছেন নি? ভাইরে
বৃষ্টি ভেজা দিনটি ছিল গর্জন আকাশ ভারি, দাওয়াত ছিল জন্মদিনের এলাম তাহার বাড়ি। কারেন্ট আসে চলে যায় যে মোমের আলোয় রেখা, প্রথম দেখায় প্রেমে পরি অবাক চোখে দেখা। রংটি তাহার
শিশুর মুখে দেখলে হাসি মনটা ভরে যায়, হাসির মাঝে অবুঝ শিশু বলতে কিছু চায়। শিশুর ভাষা বুঝতে পারে মা- জননী তাই, শিশুর মুখে ফুলের হাসি খুশির সীমা নাই। আদর পেয়ে