রাজা যায় রাজা আসে গরীবের কথা কে ভাবে? গরীবের দল নাই,বল নাই। ক্ষমতার লোভ-লালসা নাই। বললে বাস্তব সত্য কথা শিকল দু’পায় বাঁধবে এরা। দেখি শুনি দিন গুনি, চুপচাপ রই!নিরপেক্ষ
বলতে পারি মনের কথা মনটা যতো চায়, শিখতে পারি ইচ্ছে মতো মায়ের পাঠশালায়। আরবি বাংলা অংক ইংলিশ শিখি মায়ের কাছে, মায়ের কাছেই জ্ঞানের ভান্ডার লুকায়িত আছে। মায়ের আদর ভালোবাসায় দিনটি
“অ” জানে না আলীমুদ্দী টাকার গন্ধে কতো জনেই দেয় বুদ্ধি। তার বলা ভুলভাল সবি শুদ্ধি, তার জন্য সবাই করে যুদ্ধি! হলে টাকা—– আমেরিকায় দেওয়া যায় পাড়ি, গড়ে নানা রকম ডুপ্লেক্স
আমরা কজন তরুণ মাঝি ধরেছি স্বপ্নের হাল, অত্যাচারের শিকল ভেঙে উড়াবো নতুন পাল। নবীন প্রবীণ পাশে আছে আমরা নইকো অবুঝ! রক্ত ভেজা দেশটাকে আজ করবো মোরা সবুজ। নতুন করে বাংলা
আমার একটা পৃথিবী চাই যে পৃথিবী কখনো আমায় কাঁদাবেনা- পৃথিবীর চোখে চোখ রেখে বাকিটা সময় পাড় করে দেবো। আমার একটা নদী চাই যে নদীতে সাঁতার না জানলেও ডুবে যাবোনা- আমার
সাহিত্যকে ভালোবেসে বুক করে টলমল, ফিলিস্তিনের কাব্য কথা আমরা ঐক্যদল। লেখক লেখিকার মিলনমেলায় বাংলায় ইরানি ঢল, ফিলিস্তিনকে ভালোবাসি চোখে আসে জল। ধর্ম গোত্র সর্বোপরি ভালোবাসি তাকে, কলম সৈনিক এসেছিল হাজার
সবুজ ছায়ায় বাড়ি আমার সুরের কন্ঠে ডাকি, মগডালেতে বসে আছো বউ কথা কও পাখি। বউ কথা কও! বউ কথা কও! গাছের ডালে বসে, মধুর সুরে ডাকছো নাকি অমন ভালোবেসে। আসবে
কিছু নেই আর আমার কাছে! সব বিলিয়ে দিয়েছি জলের দামে ; এখন চারিদিক শুধু কালো বিষাক্ত বাতাস! মেঘমালাদের ভীড়ে একটুকরো নীল আকাশ খুঁজেছিলাম; পাওয়া হয়নি! মাটির বুকে দাঁড়িয়ে থাকা বিস্তৃত
ষোল বছর দেখিয়েছো বর্বরতা হারিয়ে ফেলেছিলে তোমরা মানবতা ছিলোনা তোমাদের এতোটুকু সততা আজো কেন করছো তোমরা কুটিলতা? শাসনের সাথে ছিল শুধুই শোষণ ভালবেসেছো তোমরা করতে তোষণ কাউকে ভাবোনি মানুষ একটি
সময়ের আবর্তনে সাগর হয় নগর, নগর হয় নদী এঁকে বেঁকে ছুটে চলে, ভাঙ্গে আর গড়ে নিরবধি! স্মৃতির পাতায় আজো দেখি হায়, একা নিরালায়, অলস প্রহর গুনি, শুন্যে দৃষ্টি আবীরের নীলিমায়!