বৃষ্টি ভেজা রাতের শহর,নীরব চৌদিক– নরম স্বরে আলাপণ মেঘের দ্বীপে, শুনশান নিঃশব্দ খেয়ায় ঢালে বিরহের জল মমতাময়ী আঁধার বিস্ময় চোখে তাকিয়ে দেখে। বৃষ্টি তোমাকে বলছি মান করো না– ভালোবাসার পল্লব
প্রিয়তম তুমি কি আমার হবে? আমি তোমাকে এক আকাশ ভালোবাসা দিব। প্রিয়তম তুমি কি আমার হবে? আমি তোমাকে সুর্য্যের, আলোর মত ভালোবাসা দিব। প্রিয়তম তুমি কি আমার হবে? আমি তোমাকে
সারাদিন মাথার ঘাম পায়ে ঝরায়ে শ্রমিক রোজগার করে বেঁচে থাকার জন্যে, এভাবে কেটে যায় দিন মাস,বছর কষ্টকে লালন করে ওদের দৈনিক জীবনযাত্রার তেমন উন্নতি হয়না শিশুরা কাজে নামে অভাবে.. আগামী
অনেক ভালো যদি তুমি বলো বাঙালী, তোমায় নিয়ে বাংলার গান গাবো, যদি তুমি বলো ; অনেক ভালো যদি তুমি বলো বাঙালী ।। তুমি জাম লিচু জামরুল আনারস পেয়ারা কাঠাল আমলকী
তুমি অপ্সরা তুমি হরিণীর মত চঞ্চলা তোমায় দেখলে মায়ার বাঁধনে মোথিত হই। অবনীর বুকে যেন একটি গোলাপ ফুল। মোহনীয় সুরভে মন মুগ্ধতায় আকুল । সমস্ত রূপের শ্রেষ্ঠ বাহার নেই কোন
চারদিকে হিমেল কুয়াশার আবরণ, বিজন অন্ধকারে স্থির দাঁড়িয়ে আছে নারকেল গাছের মাথা, বাতাসে হিম পতনের শব্দ, গাছের পাতায় ভেজা শিশির পতনের মৃদুল আওয়াজ, ঘুম আসছে না কিছুতেই, জানালার ওপারে বসে
দূরত্বের অবগুণ্ঠনে লুকিয়েছো তুমি চাপা রোদ্দুর হাহাকার করে তোমায় ঘিরে দেখো,গ্যালাক্সিটা ঠিক নক্ষত্রের ভূমি অথচ তুমি নেই সেই নক্ষত্রের ভিড়ে! কমলা রোদের বারান্দা ছিলো তোমার দখলে আজ সেখানে চড়ে বেড়ায়
হৃদয়েরও মৃত্যু হয়, শরীরের মৃত্যুতে পুনরুত্থান হয় না, হৃদয়ের পুনরুত্থান হয়। আমি যাদের মনে করি আমার মানুসিক অশান্তির কারন! আমি খুব যত্ন করে কৌশলে তাদের কাছ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেই।
ছেলে মাকে বলছে, মা একটা কথা বলি, আমার একটা অনুরোধ রাখবে? তুই চাইলে আমি কি না করতে পারি? বল্ তোর সব কথা আমি রাখবো। তোমার বৌ’মা বলছিল তোমার বয়স হয়েছে।
কুয়াশা বিক্রি হয় না কুয়াশা ছুঁয়ে দিলে ভালোবাসার ছোঁয়া মেলে। নীলগিরি দেখা হয়নি বান্দরবনের সার্কিট হাউজের বাংলোয় বেহালা আর তানপুরায় আকাশ হেসেছিলো সেই কবে ভোরের কুয়াশা চাদর বিছিয়ে দিয়েছিলো ঘাসে