কবি মুক্তা পারভীন এর কবিতা – রব সুখে দুখে দূরে থেকেও ছিলে তুমি খুবই কাছাকাছি কাছে এসেই গেলে দূরে কি নিয়ে বাঁচি? দিবা রাতি মনে ছিল ভাবনা তোমার কোথায় আছো,
এবিএম সোহেল রশিদ ডিসেম্বর আমাকে শোনাও দেশজুড়ে চলছে ঐক্যবদ্ধ শ্লোগান গাইছে সবাই গনতন্ত্র মুক্তির গান। ডিসেম্বর আমাকে শোনাও দ্বিধাদ্বন্দ্ব সব মরীচিকা, হয়েছে তার অবসান প্রেরণায় একাত্তর-বায়ান্ন এখনো অম্লান। ডিসেম্বর আমাকে
অনামিকা নৌকাহীন বিপ্রতীপ ছিলে তুমি, তাই নোনা সমুদ্র ভেঙেছে চোখের জলে, ভেঙে গেছে বারবার মাস্তুল সেতারের সূক্ষ্ম তার ছিন্ন করেছে আঙুল, প্রতিবার লাগে কেনো দাঁড়িপাল্লা, ভালোবাসা মাপতে আলতো ছোঁয়ায়! এখন
আবীর অরণ্য অপ্রাসঙ্গিগ ভাবে অলৌকিক প্রজাপতি এক একটি ডানা সবুজ, অপরটি গাঢ় নীল; উড়ে যাচ্ছে অনেক দূরে অজানার পথে কি জেন হঠাৎ মনে পড়ে গেল। কেন মনে পড়ে? কেন সন্ধ্যা
মোঃ ইলিয়াছ আহমেদ দেখো, একদিন তোমার শহরে প্রচন্ড ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোন হবে। তছনছ হয়ে যাবে বিদ্যুতের খুঁটি, বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে তোমার শহরের প্রতিটি বিদ্যুৎ সংযোগ। পুরো শহরটি অন্ধকারে ঢেকে যাবে,
শাহি সবুর দুগ্ধ কলায় পুষেছিলাম একটি টিয়ে পাখি, সুযোগ বুঝে সেই আমাকে দিয়ে গেল ফাঁকি। হৃদয় খাঁচায় একদিন আমি ঠাঁই দিয়েছি যাকে, ভাগ্য দোষে আজকে আমি হারিয়েছি তাকে। সকাল সন্ধ্যায়
এবিএম সোহেল রশিদ কলেজ থেকে ফিরছি বাসে, ভিড়ের গন্ধ মেখে তাকাওনি একবারও, দন্ডায়মান ভবঘুরের দিকে ঘর্মাক্ত মুখে আমি রঙধনুময় সংসার দেখি সারথি হতে চাই, দগ্ধ দিনের সমস্ত পারিশ্রমিকে। শুধু একবার
মোর্শেদা জাহান লিপি হে সমাজ তোমারা মানুষকে এতো ছোট করোনা, হে ব্যাক্তি মানুষ তুমিও আমাকে ছোট করোনা, হে উঁচুতলার সমাজ তোমরা শুনতে পাচ্ছো কি? হে মানব জাতি তোমরা আমাকে চোর
আবীর অরণ্য মন চেয়েছে আজ আমি হারিয়ে যাবো তোমার সাথে, অঙ্গীকারের আংটি পরিয়ে দিলাম তোমার হাতে একই সাথে ভেসে যাবো ভালোবাসার সাগরে, গভীর নিশিতে কষ্ট হলে মাথা রেখ চাঁদের কোলে,
অনামিকা অন্তঃসত্ত্বা মুহূর্তগুলো যেন ছটফট করছে একটা কবিতার জন্ম লগ্নের, মনের আনাচে কানাচে শত সহস্র লক্ষ কোটি শব্দের সাম্রাজ্য চলমান ; রাতের স্তব্ধতা কালো মেঘের চাদর সরিয়ে, রচনা করতে চাইছে