অপরাধীর কাছে আমি অগ্নিকন্যা বরাবর ভয়ংকর অগ্নিকাণ্ড! চিরতরে শেষ করতে মন চায় সকল প্রতারক ভন্ড। যেখানেই অন্যায় অবিচার সেখানেই হাজির অগ্নিকন্যা! সকল অপরাধের শাস্তি দিয়ে, বয়ে আনতে সুখের বন্যা। হ্যাঁ
আমার তপ্ত মরুভূমিতে এখনও তোমার নামেই অজস্র অভিযোগে বিভ্রমের শর-বল্লম- বর্শা ছুঁড়ে মারে আমি প্রচন্ডরকম রক্তাক্ত হই তবু আমার অতীতের সায়াহ্নের আলো ছড়িয়ে পড়ুক তোমার বাড়ির চারপাশে তোমার বিলাস-বৈভবে ছড়িয়ে
হঠাৎ করে তুমি ডুমুরের ফুল হয়ে যাও কোথাও পড়ে না তোমার শরীরের ছায়া। আমি চেয়ে থাকি পথের দিকে সেই সকাল থেকে তুমি আসবে বলে কখনো কখনও বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামে
ভ্রুর ভাষায় সত্য-মিথ্যার নাচন থাকে চোখের জিহ্বাতে লোভের লুকানো স্বাদ নাকের জিহ্বা ভোগের ঘ্রাণে দশদিক খোঁজে, খোঁজে স্বাদে ভরপুর আন্দোলিত আনন্দের বাজার এক অদৃশ্য পাপে ডুবে গেছে শহর,ডুবছে চারপাশ। হৃদয়ের
নামটি তার লুৎফর রহমান লাতু সরকার পাঁচ পুংগলী বাড়ি, রিয়াজ উদ্দীন সরকারের দ্বিতীয় সন্তান বুদ্ধিমত্তা উনি। বিবেক আর আত্ম সংযমে গুণান্বিত তিনি, সুনাগরিক সমাজ সেবক, সহজ সরল প্রতি। উচ্চ বংশের
শীতের সকাল একটু অন্যরকম পুবের জানালা ভেদ করে সূর্যের আলোর ছোঁয়ায় ভোরবেলা ঘুম ভাঙত। সকাল হলেই মা ডাকতো আরবি পড়তে যাওয়ার জন্য তখন ভয়ে,শীতে কুকড়ে চাদর গায়ে ছুটতাম মক্তবে। গাছের
বৃদ্ধ লোকটি ভিক্ষা করিতো কানাডায় কাবু করে নাই তাঁকে হিম হিম ঠাণ্ডায় গরম পোশাক ছিল না বৃদ্ধের গায়ে ,, হাঁটিতো দ্বারে দ্বারে তিনি দৃঢ় প্রত্যয়ে । একদা এক ধনাঢ্য ব্যক্তির
গান গাইতে এলেই দেখা মেলে স্টেজে টাকা ছুড়ে শিল্পীর শরীরে, এ কেমন নিয়ম-নীতি ধিক্কার ধিক্কার উফ বড্ড জ্বালাময় সজ্ঞানে প্রতিবাদ করছি। আমি মাগুরার মেয়ে “বৃষ্টি খাতুন মিনা” বাংলাদেশ থেকে,তীব্র প্রতি
বাঘের দল মিটিং ডেকেছে থাকবেনা ঘরে বসে মিথ্যে অপবাদ বাঘিনীরা দেয় মান-সম্মান খসে। সেদিন হঠাৎ মাইকে দেয় মানব নেতা ভাষণ কর্মীরা নাকি বাঘের বাচ্চা করছে নেতা তোষণ। এসব শুনে বাঘিনীর
সেই স্মৃতি এই অলস ক্ষণে খুব মনে পড়ে তোমার জন্য সারাক্ষণ অপেক্ষায় থাকা, কখন কলেজ থেকে ফিরবে বাড়ি, বারবার তোমার জানালায় গিয়ে উঁকি একটি চিঠির আশায় বারবার ডিস্টার্ব, চোখের আড়াল