এখানে অরণ্য আছে আছে পেচানো লতার আলিঙ্গনের প্রেম আছে শর্প সঙ্গম রতি বাসনার উদগ্র কামনা আছে পাতার বোটার মত দীর্ঘ চুম্বন বাসনা আছে গাছের প্রেমে লুকানো শেকড়ের মায়া আছে কত
তবে কি কাউকে বিশ্বাস করবোনা? কিন্তু আমি তো সবাইকে বিশ্বাস করতে চাই। রাজনীতিবিদ আমলা বিচারক যতো পেশা আছে আমি সবাইকে বিশ্বাস করতে চাই। কিন্তু ধাক্কার পর ধাক্কা আমার বিশ্বাসকে আহত
গল্প নদী যখন কাঁদে সুনির্মল বসু মানুষের জীবনে চলার পথে প্রতিদিন কত স্মৃতি জমা হয়। নৈমিত্তিক ব্যস্ততায় অনেকের পক্ষে সেসব মনে রাখা সম্ভব হয়না। অনেকে আবার বেদনার স্মৃতি গুলো মনে
নিজের ভুলে হইলে দোষী মিলবে নারে কিছু , ঘরের কোণে থাকবে বসি হইবে মাথা নীচু । ভবের বুকে সফল হবে ভুলকে ঝেড়ে ফেলে , তখন খুশী হইবে সবে মনের ডানা
নারী তুমি নষ্টা, তুমি বেশ্যা, তুমি রাতের রানী তুমি সমাজপতিদের চোখে নোংরা আর্বজনা, তোমায় তৈরীতে নেপথ্যের নায়ক যারা, তারাই সমাজ সেবক সমাজের উচ্চপদস্থ লোক মুখোশ পরা ভয়ানক দানব রূপি অমানুষ।
কতো মাছ ধরেছি আমি এক বয়সে, এসব এখন কায়েম হয়ে গেছে! সেই কাল এখন আর নেই একালে! শুনলে কথা থমকে উঠে একালের পোলাপাইনে আজব মনে করে! পাখির ছানা ধরতে মান্দার
চলে যায় কত শীত বসন্ত স্মৃতিরপাতা থেকে.. কখন যেন এসে দাঁড়ালে নিঃশব্দে পাশে, পরন্ত বিকেলে গোধূলির রঙে বেলাভূমিতে ডুবে আছি ভাবনার অতলে,চমকে দিয়ে তুমি বললে,হাত বাড়িয়ে দাও… হাত পেতে দিলাম
এখন অন্ধকার ভয় আর অস্হিরতার প্রতীক নয় আমুদে অন্ধকারে আলো ছড়ায় ঝাড়বাতি অসংখ্য ফড়িং ভীড় করে, চলে তাদের নৃত্য -গীতি। নৃত্যের তালে হেলেদুলে উঠে কামুক-কামুকীর আবেগ আবেশিত দেহ ভাষা, অন্ধকারকে
কওতো তোমারে কি ভুইলা থাকন যায়? আন্ধার রাইতে আমার আন্ধার ঘর আলো কইরা রাখতো যে মানুষ টায়, সোহাগের সলতা দিয়া যে জ্বালাই দিতো আলোর বাত্তি হেই মানুষটারে কি ভুইলা থাকন
সাম্প্রতিক কালে বাংলাসাহিত্য না-কি নতুন ভার্চ্যুয়াল জগতের এক নতুন রেনেসাঁর যোগ এনে দিয়েছে। ফেইসবুকের এক অভাবনীয় সাফল্যের সুযোগে যে কেউ কোন একটা লিখে ফেলতে পারে, লেখাটি কতোটা মানসম্মত পাঠক সমাদৃত