যে সময়ের কথা বলছি,তখনও কিশোরী ছিলাম। সিলেটে আমাদের গ্রামের বাড়িতে প্রধান বাড়িটির পেছন দিকটায় পিতার তৈরি একটি কাঠের দোতলা ঘর ছিল। কক্ষটি বেশ বড়। জানালাগুলো খিড়কি জাতীয়। জানালা দিয়ে তাকালেই
এম,নুরুননবী চৌধুরী সেলিম: না আছে জমি, না আছে মাটি । আছে শুধু একখানা নৌকা। এই নৌকাতে জন্ম এই নৌকাতেই মৃত্যু। স্বামী স্ত্রী সারাদিন নৌকায় মাছ ধরে। যে মাছ পায় সেই
তোমার ওই কাজল কালো চোখ কি কথা বলে অনেক কিছুই বলে যা বুঝে নিতে হয়, পাহাড় থেকে নেমে আসা ঝর্ণাধারার তীব্রতা বাঁধভাঙা নদীর মতো দু’কুল ছাপিয়ে ছুটে চলে, দু’দিকের প্রকৃতি
যতোটা দূরের তুমি আমার ততোটাই কাছের নিরবিচ্ছিন্নতায়, যতোটা সম্ভাবনা তুমি আমার ততোটাই শূন্যতা পূর্ণতা অপূর্ণতায়। তুমি আমার চিন্ত চেতনায় বিশ্বাসে স্বার্থে সর্তে, তোমাতেই বিমুগ্ধ বিমোহিত আবেগ, বিন্দুবিসর্গে মর্তে। তুমি যোগ-বিয়োগ
পেটের দায়ে প্রবাসী আজ স্বদেশ মায়া ছেড়ে, সবার কথায় —দায়িত্ব যে গেলো আরো বেড়ে। প্রবাস থেকে টাকা পাঠাই বাড়ি প্রতি মাসে, সবার আশা মেটায় তবে থাকি সবার পাশে। আমি যেনো
কোরান হলো প্রভুর বাণী যাতে নেইতো ভুল, আঁকড়ে ধরো মানব জাতি পাবে মুক্তির কুল। কোরান পড়ো গভীর ভাবে জ্ঞানীগুণী গণ, ভুল পেয়েছে কোরান পড়ে আছে এমন জন? প্রভুর লিখুন কোরান
আমার দুটি মুক্তা আছে অন্য কারো কাছে আছে কি? দুই মুক্তার মাঝে আমি থাকব হাসি-খুশি। আমার এক মুক্তা পথ দেখায় অন্য মুক্তা স্বপ্ন দেখায়। আমার দুটি মুক্তা আছে এক মুক্তা
বাবা কথা বলে না যে আমার সাথে আড়ি? রাগ করে কি বসে আছো আসছো না যে বাড়ি! তুমি এলে খাবার খাব যাব ফুলের বাকে, তোমায় ভালোবাসি বাবা বলছি আমি মাকে।
সকালে উঠে নেতার কথা ভাবি মনে মনে, নেতার আদেশ মেনে তবে থাকি নেতার সনে। সকল কাজে নেতার কথা মেনে যেনো চলি, বিপদাপদে পাশে থাকবো শপথ করে বলি। নেতার কথায় সব
ক্ষুধার কষ্টে কুঁকড়ে মরি বধির রাখো কান! মানচিত্র আজ ঠুকরে খাব যাবে তখন মান॥ মানচিত্রের ঐ রক্ত খাব এটাই যদি চাও, তাহা না হইলে উদরপূর্তি খাদ্য খেতে দাও। লাল মানচিত্র