কবি –দেলোয়ার হোসেন বাবন এর কবিতা // কবিতার সংসার কবিরা কবিতার প্রেমপত্রে প্রেমের কবিতা লিখতে লিখতে বিশ্ব প্রেমীক হয়ে গেছে। ডাহা মিথ্যা কথার উপমা ক্ষত- বিক্ষত পঙক্তি মালার মুন্ডুপাতে অযথাই
কবি –রাজু আহমেদ এর কবিতা // তুমি আছো তুমি আছো এক জীবনে বিরহ- বিষাদের এক গল্পগাঁথা হয়ে, তুৃমি আছো কারণে অকারণে জীবনের মঞ্চে নিখুঁত অভিনয়ে, তুমি আছো পরিশেষটাতেও- আমার পুরোটা
কবি –মোঃ আবদুল গনি ভূঁইয়া এর কবিতা // তুমি মহাবীর প্রকৃতির দুলনায় দুলতে দুলতে, বিশালের মাঝে হারালে। দুঃখের সাগরে ভেসে ভেসে, তীরে উঠে এলে বলে ; তুমি দুঃখ মিয়া নাম
কবি –লায়ন সালেহ আহমেদ এর কবিতা // রক্তক্ষরণে রাঙা প্রভাত আমি শিল্পী হতে চাই আমি আমার মা, মাটি, দেশের একটি ছবি আঁকতে চাই। আমি কবি হতে চাই – আমি আমার
‘কবি –গৌরি প্রসন্ন মজুমদার এর কবিতা // কফি হাউস কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই আজ আর নেই। কোথায় হারিয়ে গেল সোনালী বিকেলগুলো সেই আজ আর নেই । নিখিলেশ
কবি –শাহ সাবরিনা মোয়াজ্জেম এর কবিতা // বুনো হেলেঞ্চার ডাঁটায় ভর করে সন্ধ্যা নামে। ভুত- পেত্নির মতো নারীর একদশা হলে —ভালো হতো। মা যে দশভূজা তাই তার দশ দশা! তার
ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানের নামকরণের ইতিকথা – গেন্ডারিয়াঃ ইংরেজি শব্দ Grand Area থেকে এসেছে, এখানে আগেরদিনের অভিজাত ধনী ব্যাক্তিগন থাকতো। – ভুতের গলিঃ এখানে বৃটিশ একজন লোক থাকতেন যার নাম
কবি –মোঃ আনোয়ার হোসেন ফকির এর কবিতা // তবুও মনে অয় হ কইবার চাইছিলাম তোমারে প্রিঁসলীফুল ! হোদাই হোদাই তোমারে ভালোবাসার কথা কওয়ার নিগা বিয়া করার নিগা এতগুনা দিন বইয়া
জান্নাতুল নাইম এর কবিতাগুচ্ছ ১) মন মন্ত্রণালয় মুখচোরা, মনচোরা! তৃষ্ণার্ত কানাই! ওরে আমার শ্যাম কালিয়া কৃষ্ণচূড়া! সারা বন জুড়ে তোর একি আভা! ঋতুর ক্ষরণে বিরাজমান রক্তিম স্বভাব! করিসনে আর সূক্ষ্ম
কবি –আব্দুর রহমান নির্জয় এর কবিতা // চলো আজ সমুদ্র বিলাসে যাই অনেক দিন হয় আর বৃষ্টি ছোঁয়া হয়নি। হয়নি নিজের অজান্তেই বৃষ্টিকে ছুঁয়ে দেখা। বৃষ্টির ধারায় ভিঁজতে ভিঁজতে- অশ্রু