আমার একটা ছোট্টো প্রদীপ আধার ঘরে জ্বলতো নিশি রাতে মিটিমিটি সুখের কথা বলতো। মনে মনে কথা হতো আরও কতো গল্প খুব বেশি নয় আলো তাহার ছিলো অনেক অল্প। হঠাৎ করে
অনেক স্বপ্ন দেখছিলো, জীবনটাকে রঙে রঙে রাঙিয়ে তুলবে উড়ান্ত বলাকার মতে দুরান্ত বেগে নীল আকাশে ঘুরবে। ভাসতে চেয়েছিলো গতিহীন স্রোতে ভড়াপূর্ণিমায় স্বপ্নের সম্পানে, গুণতে চেয়েছিলো নীল সমুদ্র ঢেউ। বুনতে চেয়েছিলো
আমি নির্বোধ আমি অকর্মা আমি জঞ্জাল চলমান সমাজের জন্য। আমি হলেও পদার্থ তবুও অপদার্থ! কেউ কেউ হয়তো বলে আবার আমি কুলাঙ্গার আমি বাটপার আমি ফাঁকিবাজ! কারণ আমি চলি আমার মতন
তোমাকে পাওয়ার আজম্ম তৃষ্ণা — সারোয়ার মাহিন পুনর্জন্ম হয়তো হবে না, তাই এই জন্মে তোমাকে পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা ছিল আমার। সময়ের প্রতিটি শিরায় আমি তোমার উপস্থিতি খুঁজেছি। ভোরের শিশিরে,
সময়—এক নিঃশব্দ শিল্পী, যে মানুষকে প্রতিদিন নতুন করে গড়ে তোলে, আবার কখনো ভেঙেও দেয়। সে কখনো শক্ত করে তোলে হৃদয়ের পাথর, আবার কোনো এক বিকেলে সেই একই মানুষকে ভেঙে ফেলে
যে মানুষটি সহজে ৫০ কেজির এক বস্তা চাল কিনে ফেলতে পারে, সে কখনোই বোঝে না— সেই বস্তাটা কাঁধে তোলা কত কষ্টের। আর যে মানুষটি ঘাম ঝরিয়ে সেই বস্তাটা মাথায় তোলে,
ভালো ঘর মানেই তো দেয়াল, জানালা, দরজার ঝকঝকে সাজ। কিন্তু সেই ঘরে যদি মনের মানুষগুলো ভালো না হয়— তবে সেই ঘরটাই একদিন কারাগার হয়ে দাঁড়ায়। আলো যতই প্রবেশ করুক, হৃদয়ের
যত বড় হচ্ছি, জীবন ততই যেন আরও অনিরাপদ হয়ে উঠছে। শৈশবের রঙিন নিশ্চিন্ততা কোথায় হারিয়ে যায়—তা বুঝে ওঠার আগেই চারপাশের ভয়, চাপ, দায়িত্ব এসে ঘাড়ে হাত রাখে। একসময় যে পৃথিবীকে
সব নেতাদের যদি সংগীত শেখানো যেত— তবে পৃথিবীটা হয়তো একটু বদলে যেত। কারণ যে মানুষ সুরের গভীরতা বোঝে, সে কখনো রক্তের রঙে রাজনীতি সাজাতে পারে না। গানওয়ালারা যুদ্ধ করে না—
নিস্তব্ধ গ্যালাক্সিতে তোমার শূণ্যতা , নেই নীল প্রজাপতি , নেই মাধবীলতা, নেই মধ্যরাতের ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক । সেই বিষন্ন তন্দ্রাচ্ছন্ন রাতের মায়া এখন কেবলই প্রহসন । আজ কেবল মনে পড়ে