নদীর ন্যায় সংকুচিত হচ্ছে মানুষের মনুষ্যত্ব মিথ্যার দাবানল ছড়িয়ে যাচ্ছে দিকে। প্রগাঢ় মমতা লোপে নিচ্ছে বিষাক্ত সব কীট মুখোশের বিমূর্ততায় নিজেকে ঢেকে। সোডিয়ামের আলোয় কাতরাচ্ছে অবুঝ শিশু একমুঠো দানাপানির নিদারুণ
কোকিলের কুহুতানে মুখরিত বাতাস! বসন্তের স্পর্শে ফুলে ফুলে সেজেছে আজ, আমার ছাদ বাগান! তাই ফুলের সুবাসে মনটা বেশ উতলা। ফাগুনের আনন্দে মনে জেগেছে প্রেম! তাকে কাছে পাওয়ার তৃষ্ণায়, আজ হৃদয়ের
নিঃসন্দেহে প্রেম সুন্দর! তবে সেই প্রেমের মদিরতা নষ্ট করেছে কিছু মাংসাশী মানুষ! যা কলুষিত করছে পবিত্র প্রেম। বিচ্ছেদ হলেই একজন অন্যজনের নামে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে দিচ্ছে অনারবত! ধীরে ধীরে বিশ্বাস হারাচ্ছে!
সারা জীবন আমি একটা ছায়াময় গাছ, একটা ঢেউ খেলানো নদী, সবুজ শস্য ক্ষেত্র এবং শঙ্খচিল উড়ে যাওয়া নীল আকাশ খুঁজেছিলাম, খুঁজতে খুঁজতে দিগন্ত পার, পথে কত ঝরনা নদী কত উপল
মুর্শিদাবাদ সিল্কের শাড়িতে আজকে বড় অপরুপা লাগছিল শাশ্বতীকে, নীলাঞ্জন পাশাপাশি হাঁটছিল। সিনেমা হলের সামনে একটা ফোয়ারা ছিল, রাস্তার দু’ধারে কৃষ্ণচূড়ার গাছ ছিল, বসন্তকালে কী যে অপরূপ লাগতো! সার্ভিস মার্কেটে জনতা
আগে বুঝি পরনিন্দা, না সমালোচনা। একটা মন্দ, অন্যটা উপকারী শেষেরটাই তাহলে আলোচনা করি। কবি,লেখক,গায়ক সব পেশার লোকের কাজের মান যাছাইয়ে সমালোচক দরকার। যদি সমালোচনা না করি ভালমন্দের ফারাকটা হবে কি
জীবন এক দার্শনিক কণা সবাই দেখে পৃথিবী দিগন্তে হারায়— পুতুল নাচের ইতিবৃত্ত মনোরম আসলে কি পৃথিবী জীবন থেকে পালায়? সবার দেখার মাঝেও ভুল থাকে অথচ তা প্রমাণিত, প্রাজ্ঞতার সীমানায়– কতো
অগোচর দূরে থাক, প্রকাশ্যে খুঁজতে হয় আজ সততা, পাবে না খুঁজে কোথাও এতটুকু নিঃস্বার্থের নৈতিকতা। ভাল থাকতে চায়,সৎ হতে চায়, পারে না তাল মিলাতে, যুগের সাথে তাল মিলাতে ব্যস্ত সবাই
এক অতি মহাবৃত্তাকার সৌরপরিমন্ডল! অস্তিত্বের বলয় রেখায় আমার প্রদীপ্ত আকাশ আপন হৃদয় খুঁড়ে দিয়েছে উঁকি, নক্ষত্রের দ্যুতি পেড়িয়ে এসেছে সহস্র সহস্র আলোকিত আলোকবর্ষের দীর্ঘ জামানা হারিয়েছে কত দীর্ঘ রাতের দীর্ঘ
মরণ থেকে পালাও তুমি মরন তোমারে লইবে ঘিরি, যদিও সুদূর আকাশ পানে লুকাও সেতাই লাগিয়ে সিঁড়ি। এই মহা রোগের চিকিৎসক নাই নাই সে ঔষধ জগতে, খুঁজিয়া কাতর হইলে কি হবে